ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ADVERTISEMENT AREA

টাঙ্গাইলে ১৮ দিনের শিশুপুত্র হত্যা: মা আয়না বেগমের ১৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 30, 2026 ইং
টাঙ্গাইলে ১৮ দিনের শিশুপুত্র হত্যা মায়ের কারাদন্ড ছবির ক্যাপশন: টাঙ্গাইলে ১৮ দিনের শিশুপুত্র হত্যা মায়ের কারাদন্ড
টাঙ্গাইলে ১৮ দিনের শিশুপুত্রকে হত্যার দায়ে তার মা আয়না বেগম (২৪)কে ১৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত আয়না বেগম জেলার মির্জাপুর উপজেলার শিবপুর চন্দনপাড়া গ্রামের জহিরুল ইসলামের স্ত্রী এবং দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, সন্তান জন্মের পর আয়না বেগম বাবার বাড়ি লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামে অবস্থান করছিলেন। ২০২০ সালের ৩০ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে আয়নার স্বামী জহিরুল ইসলাম খবর পান, তাদের ১৮ দিন বয়সী ছেলে সন্তানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। খবর পেয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে যান এবং খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের খালের পানিতে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, শিশু রায়হানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে স্ত্রী আয়না বেগমের বিরুদ্ধে দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পিপি আরও জানান, তদন্ত শেষে দেলদুয়ার থানার উপ-পরিদর্শক মনোয়ার হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। মামলায় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

রায়ে শিশু পুত্র হত্যার দায়ে আয়না বেগমকে ১০ বছর এবং মরদেহ গুমের অভিযোগে আরও ৩ বছরসহ মোট ১৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত আয়না বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : দেশ বাংলা টিভি ডেক্স

কমেন্ট বক্স
মৃত্যু চিন্তাই মানুষকে সত্যিকারের সৎ মানুষ করে তুলে
আমি ত আমিই,  আমার যত্ন নিলেই ত সব হয়ে যায়। 
আমি কে?
‎হয়তো, আমি কোনো নাম নয়, কোনো দেহ নয়, কোনো পরিচয়ও নয়, বরং এক অনন্ত চেতনার ক্ষুদ্র প্রকাশ,
যা,জন্ম,মৃত্যু,লাভ,ক্ষতি,সুখ,দুঃখ,সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নিজেকেই খুঁজে বেড়ায়।